ঘরে বসে সোনার বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করার ৭টি সহজ ও বৈজ্ঞানিক উপায়
সোনার দোকানে না গিয়েও ঘরে বসে কীভাবে আসল ও নকল সোনা পরীক্ষা করবেন জানুন। নাইট্রিক অ্যাসিড, চৌম্বক ও ওজন পরীক্ষার বৈজ্ঞানিক গাইড Nikhad Sona-তে।
সোনা কেনার সময় সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হলো—সোনাটি কি শতভাগ আসল নাকি এতে খাদ বেশি? অসচেতনতার কারণে অনেক সময় গ্রাহকরা কম ক্যারেটের সোনা বেশি দামে কিনে প্রতারিত হন। আজকের গাইডে আমরা আলোচনা করবো এমন ৭টি পরীক্ষিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে আপনি নিজেই সোনার বিশুদ্ধতা যাচাই করতে পারবেন।
১. হলমার্ক ও লেজার মার্কিং পর্যবেক্ষণ
আসল সোনার গহনার গায়ে শক্তিশালী ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে বাজুস নির্ধারিত খোদাই করা হলমার্ক নম্বর পাওয়া যাবে:
- ২২ ক্যারেট (22K): খোদাই করা থাকবে
916(অর্থাৎ ৯১.৬% খাঁটি সোনা)। - ২১ ক্যারেট (21K): খোদাই করা থাকবে
875(৮৭.৫% খাঁটি সোনা)। - ১৮ ক্যারেট (18K): খোদাই করা থাকবে
750(৭৫.০% খাঁটি সোনা)।
২. চুম্বকীয় পরীক্ষা (Magnet Test)
সোনা একটি অ-চৌম্বকীয় ধাতু (Diamagnetic Metal)। সাধারণ রেফ্রিজারেটর চুম্বক বা স্ট্রং নিওডিমিয়াম চুম্বক সোনার কাছে আনলে এটি কোনোভাবেই আকৃষ্ট হবে না। গহনা যদি সামান্যও চুম্বকের দিকে টানে, তবে বুঝতে হবে এতে ভেজাল খাদ রয়েছে।
৩. ডেনসিটি বা ঘনত্ব পরীক্ষা (Water Density Test)
| সোনার ক্যারেট | আদর্শ ঘনত্ব (গ্রাম/ঘন সেমি) | বিশুদ্ধতার অনুপাত |
|---|---|---|
| ২৪ ক্যারেট (24K) | ১৯.৩২ গ্রাম/সিসি | ৯৯.৯% |
| ২২ ক্যারেট (22K) | ১৭.৪৫ – ১৭.৮০ গ্রাম/সিসি | ৯১.৬% |
| ১৮ ক্যারেট (18K) | ১৫.২০ – ১৫.৬০ গ্রাম/সিসি | ৭৫.০% |
৪. সিরামিক প্লেট স্ক্র্যাচ টেস্ট
একটি চকচকে পালিশহীন সিরামিক প্লেটের উপর সোনার অলংকার আলতোভাবে ঘষুন। যদি সোনালী দাগ পড়ে তবে সোনাটি আসল; কিন্তু যদি কালো বা ধূসর দাগ পড়ে তবে এটি নকল বা শুধুমাত্র গোল্ড প্লেটেড।
৫. নির্ভরযোগ্য জুয়েলার্স ও রসিদের ভূমিকা
কোনো প্রকার প্রতারণা এড়াতে সর্বদা বাজুস (BAJUS) নিবন্ধিত অনুমোদিত দোকান থেকে ডিজিটাল হলমার্ক ও পাকা ভ্যাট রসিদসহ সোনা কিনুন।
বর্তমান বাজারদর ও মেকিং চার্জসহ মোট মূল্য জানতে ব্যবহার করুন আমাদের লাইভ সোনা ক্যালকুলেটর।